আব্বাসীয় যুগে সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিকাশ
●ভূমিকা: আব্বাসীয় যুগে মুসলিম কৃস্টি, সভ্যতা ও জ্ঞানানুশীলন বিশ্ব সভ্যতার শীর্ষদেশে উন্নীত হয়েছিল। এ কারনে এ যুগকে জ্ঞান বিজ্ঞানের স্বর্ণযুগ বলা হয়। প্রাচীন সভ্যতায় বিলুটপ্ত উপকরন সংগ্রহ ও সংরক্ষন করে আব্বাসীয় যুগের মনীষীগন সভ্যতার অগ্রগতিতে অসামান্য অবদান রেখে গিয়েছেন। আব্বাসীয় খলীফাদের পৃষ্ঠপোষকতায় জ্ঞান চর্চার বিভিন্ন ক্ষেত্রে মৌলিক গবেষণা পরিচালিত হয়। ● ভূগোল: কেবলা নির্ধারন, পবিত্র হজ্ব পালন প্রবৃতি ধর্মীয় কারনে মুসলমানগন ভূগোল চর্চা শুরু করে। জোতির্বিদ্যার গবেষণার জন্য সকল স্থানের অক্ষাংশ এবং দ্রঘিমাংশ নির্ণয়ের বিশেষ প্রয়োজন ছিল। সমূদ্র বানিজ্যে আরবদের বিশেষ প্রাধান্য থাকায় ভৌগলিক জ্ঞানের গুরুত্ব কম ছিল না। তারাই সর্ব প্রথম দিক দর্শন ও দূর্বিন যন্ত্র আবিষ্কার করেন। প্রখ্যাত গ্রীক ভৌগলবিদ টলেমীর গ্রন্থ আরবিতে অনূদিত হয়। এ ক্ষেত্রে ইয়াকুব ইবনে ইসহাক বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন। গ্রীক গ্রন্থের সাহায্যে খলীফা মামুনের রাজত্বে আল খাওয়ারিজমী কর্তৃক ”সূরত আল আরদ” নামে একটি গ্রন্থ মানচিত্র প্রণীত হয়। সর্বমোট 67 জন মনীষী এ গ্রন্থ প্রণয়নে অংশগ্রহন করেন। যেখানে ইউরোপীয় ভৌগলবিদগন ...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন